বিপ্রতীপ অনুভূতির কান্না

বিপ্রতীপ অনুভূতির কান্না যা হোক এবার আমার-তোমার সন্ধ্যে বেলার আবছা আলোয় পাড়ার মাঠে পিঠের ‘পরে পিঠ্ লাগিয়ে দু’জন বসে রক্ত-রাঙা আকাশ দেখার চুক্তিটা যে সাঙ্গ হলো। শেষ অবধি মোরগ-ডাকা ভোরের বেলায় দিঘির ঘাটে অন্ধকারের ঈষৎ কালোয় দিঘির জলে পা ডুবিয়ে […]

নব-জন্ম

নব-জন্ম সমস্ত রাত্রি তুমুল বর্ষণের পর সকাল বেলার প্রথম সূর্যের কিরণখানি যখন অন্য দিনের অন্য সকালের চেয়ে খানিকটা বেশি উজ্জ্বল-তীক্ষ্ণ অথচ কোমল হইয়া খোলা জানলা দিয়া খোকনের মুখের উপর পড়িলো, তখন কাঁথাটা আরেকটু টানিয়া লইয়া কোল-বালিশটাকে আরো খানিকটা আপন করিয়া […]

আকাশের তারা হবো

আকাশের তারা হবো আমিও তো একদিন আকাশের তারা হবো হয়তো বা চাঁদ হবে তুমি। অসংখ্য তারাদের ভিড়ে হয়তো বা চিনবে না আর— চিনবে না সেই কালো মুখ, মোটা ফ্রেমের চশমায় ঢাকা চোখ। তেলতেলে গালে বসন্তের ছোপছোপ দাগ; কপালে দুর্ভিক্ষ-কবলিত নগর-পল্লীর […]

পলাতক

পলাতক শহরের পথে-ঘাটে নিশাচর ছায়াদের দল রাত্রির আঁধারের গায়ে মিশে একাকার হয়। চারপাশে নির্জন নগরীর চাপা কোলাহল, পথহীন পথিকের বুক জুড়ে ভয়-সংশয়! বেড়ালের কান্নায় নরকের নাটকীয় সুর; চোখ বলে “আঃ নরক”! কতো দূর আর কতো দূর … কতো দূর।

পায়ে চলা পথিক

পায়ে চলা পথিক যখন ভোরের হিমহিম শীতল হাওয়ায় নির্জন- পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন পাকা রাস্তার উপর একটি- দু’টি শুকনো ঝরাপাতা মৃদু বাতাসের তোরে কেমন উড়ে উড়ে যায়, আর সদ্য ঘুম থেকে জেগে ওঠা কালো কাকেদের দল নীরবতার কঠিন কাঁচের আস্তরণ ভেঙে দিয়ে […]

সভ্যাসভ্য সমাচার

সভ্যাসভ্য সমাচার আজকে আমি অসভ্যদের দলে; সভ্য যারা— তাদের থেকে দূরে। নিঘুম দু’চোখ ক্লান্তিতে হয় লাল, বুকের ভেতর জ্বলন্ত সব ক্ষোভ, ঝলসে ওঠে চোখের তপ্ত-জলে। নিকোটিনের অমোঘ মায়ায় পুড়ে নষ্টা প্রিয়ার ঠোঁট যদিও ঝাল— খুবলে খাবার বীভৎস এক লোভ নিত্য […]